Header Ads

October Sky (1999) মুভি রিভিউ

সবাই কেমন আছেন? আশা করছি ভালো। আজকের মুভি রিভিউ সিরিজে থাকছে October Sky মুভিটি। এই সিরিজের আর্টিকেল প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার প্রকাশিত হয়ে থাকে। তাহলে চলুন আজকের মুভির রিভিউ দেখে নেয়া যাক...

October Sky (1999) মুভি রিভিউ

মুভিঃ অক্টোবর স্কাই (October Sky)
রিলিজঃ ১৯৯৯
টাইমঃ ড্রামা,বায়োগ্রাফি,ফ্যামিলি।
অভিনয়েঃ জেক জিলেনহাল,ক্রিস কুপার,লরা ডার্ণ।
ডিরেক্টরঃ জো জনস্টন
আইএমডিবি রেটিংঃ ৭.৮
ব্যাক্তিগত রেটিংঃ ৮.৫

প্রথমেই বলতে চাই লিও(লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও) এর পর বর্তমানে জেক জিলেনহাল আমার সবচাইতে পছন্দের অভিনেতা।

এই মুভিটা রিয়েল লাইফ নাসা সাইন্টিস্ট "হোমার হিকাম" এর জীবনের কাহিনী নিয়ে নির্মিত। এটা একটা ট্রু স্টোরি। এই মুভিটা আমার সবচাইতে পছন্দের মুভিগুলার মধ্যে একটা। যতবারই দেখি ভালো লাগে।

১৯৫০s এর সময়কার ঘটনা। কাহিনীটা এরকম যে "হোমার হিকাম" নামের একজন হাইস্কুলে পড়ুয়া ছেলে এমন একটা শহরে বাস করে যেটা কিনা কয়লার খনির জন্য বিখ্যাত।ঐখানে সব পুরুষ,ছেলে বেশীরভাগ সবাই জীবিকা অর্জনের জন্য কয়লার খনিতে কাজ করাকেই ১ম চয়েস হিসেবে সবসময় বেছে নেয়।এই রকম একটা পরিস্থিতিতে যদি কোন ছেলে তার বাবাকে বলে আমি বড় হয়ে অন্য কিছু হতে চাই, তাইলে নির্ঘাত ঐ ছেলে তার বাবার হাতে কিছু উওম-মধ্যম খাবে।

হোমার হিকাম (জেক জিলেনহাল) তার সাথেও অনেকটা এমন কিছু হয়।সে এই কঠিন বাস্তবতার কথা জেনেও, সেইসময়কার সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন কৃএিম উপগ্রহ "স্পুটনিক-১" মহাকাশে পাঠায় সেটা দেখে হোমার খুবই অনুপ্রানিত হয় এবং তখন থেকেই তার ইচ্ছা সে রকেট বানাবে এবং একদিন মহাকাশে যাবে।এই কথা যখন সে তার বাবাকে বলে, তখন তার বাবা খুবই রেগে যায় এবং এটাকে একটা হাস্যকর প্রফেশন হিসেবে ভেবে উড়িয়ে দেয় এবং তাকে বলে যে, তার ভবিষ্যত হচ্ছে কয়লার খনিতে কাজ করা এবং এইসব রকেটের কথা ভুলে,তাকে কয়লার খনিতে কাজ করার অাদেশ দেয়।

কিন্তু হোমার তারপরও দমে যায়নি,সে তার বন্ধুদের সহায়তায় তার পরিবারের অগোচরে অনেক রকেট বানানোর ট্রাই করতে থাকে, পুরো শহরের অনেকেই তার বিরোধিতা করলেও হোমারের ট্যালেন্ট এর প্রতি তার টিচার মিস রাইলি(লরা ডার্ন) এর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল এবং সে তাদেরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছিল।তার টিচারের পরামর্শে হোমার এবং তার বন্ধুরা মিলে একটা সাইন্স ফেয়ারে অংশগ্রহন করে এবং তারা সেটায় জিতে এবং হোমার গোল্ডমেডেল পায়।

এভাবেই নিরলস চেষ্টা পরিশ্রম করার পর সে তার বাবার মন গলাতে পারে এবং সে তার বাবাকে বুঝাতে পারে যে কয়লার খনির বাইরেও তার উজ্জল ভবিষ্যত রয়েছে।সেই রিয়েল লাইফ হোমার হিকাম পরবর্তীতে নাসায় কাজ করার সুযোগ পায়।

এই মুভি থেকে মুলত বুঝা যায় যে কেউ যদি বড় হয়ে বিশেষ কিছু হতে হায় এবং সেইজন্য সে যদি নিরলস পরিশ্রম ও চেষ্টা করে যায় এবং তার যদি আসলেই সেই জিনিসের উপর ভালো ট্যালেন্ট থেকে থাকে তাহলে তার পক্ষে তার সেটা অর্জন করা সম্ভব।কোন পরিবারের বড়রা যে প্রফেশনে আছে, ছোটদের বড় হয়ে সেইম প্রফেশনে কাজ করতে হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

লিখাটি ভালো লাগলে দয়া করে নীচের শেয়ার বাটনে ক্লিক করে শেয়ার করুন এবং অন্যদেরও এই সুন্দর মুভিটি সম্পর্কে জানার সুযোগ দিন। সামনে এরকম আরও পোস্ট নিয়ে হাজির হচ্ছি, ভালো মুভির রিভিউ পেতে হলে প্রতি শুক্রবার EduQuarks ব্লগে চোখ রাখুন। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ লিখাটি পড়ার জন্য।

No comments: