Header Ads

বই রিভিউঃ র এর কাওবয়েরা

বই রিভিউঃ র এর কাওবয়েরা

বুক রিভিউ : র এর কাওবয়েরা 
লেখক : বি রমন

বিশ্লেষণমূলক বই সবসময় আমার প্রিয় । উপরন্তু সে বই যদি হয় কোন গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক কর্মকর্তার তবে তো আগ্রহের ১৬ কলা পূর্ণ । কারণ সরকার এবং মিডিয়াতে আমরা ঠিক তাইই দেখি যা আমাদের দেখানো হয় , কিন্তু এসব বই পড়ার ফলে পর্দার আড়ালে থাকা ঘটনাকে জানা যায় । জানা যায় এসব বিষয়ের সাথে জড়িয়ে থাকা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মানুষরুপী অনুঘটকদের । এবার যাওয়া যাক বইয়ের প্রসঙ্গে ।

মূলত এই বইটিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের আবির্ভাব হয়েছে । এত সহজেই যার সাদা চোখে বিশ্লেষণ সম্ভব নয় এবং বিশ্লেষণও আকারে ছোট করা সম্ভব নয় । বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে যারা কিছুটা খবরাখবর রাখেন তারা এ বইটি পড়ে অনেক চিন্তার খোরাকযুক্ত বিষয়বস্তু পাবেন, ভাবনাকে আলোড়িত করার, অন্ধকারের মাঝে আচমকাই আলোর দিশা পাবেন ।আমি ধাপে ধাপে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় নিয়ে বলছি । আমি কিছু বিষয়ের ব্যাক্তিগত মতামত প্রদান থেকে বিরত থাকছি কারণ এসব বিষয় ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির, আমার ধারণাও যথেষ্ট পোক্ত নয় এবং কেবল একটি বইয়ের উপর ভর করে মন্তব্য দেয়া যুক্তিযুক্ত হবে না।

আমি একজন বাংলাদেশী আর ৭১ আমার গর্ব, আমার অহংকার, তাই শুরুটা আমি ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ দিয়েই করলাম। বি রমন তার বইতে যথার্থই বলেছেন যে ৭১ এর যুদ্ধ বিজয় ভারতের একক সাফল্য ছিলনা । যদিও সময়ের ফেরে অনেক ভারতীয় (সবাই নন) আজ তা স্বীকার করতে চাননা ।আমি এ জন্যই তাকে ধন্যবাদ জানাই যে তিনি বেশ সাবলীলভাবেই এই সত্যটি বলেছেন : “সৃষ্টির চাইতেও ভারতের ভূমিকা বেশী ছিল সৃষ্টিতে সহায়তাকারীর”। ১৯৭১ এর দৃষ্টিকোণ থেকে বললে ভারত বাংলাদেশের একজন প্রকৃত বন্ধু যদিও অনেক ব্যাক্তি এতে জড়িত থাকা ভারতের দূরদর্শীতাময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের কথা বলে থাকেন । সে যাই হোক এত বিপুল সংখ্যক লোকের আশ্রয় প্রদান, অস্ত্র, প্রশিক্ষণ , সৈন্য, আন্তর্জাতিক তদবির ইত্যাদি নানাভাবে ভারত যে সাহায্য দিয়েছিল তাতে অবশ্যই ভারত একজন প্রকৃত বন্ধু হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য দাবিদার । যদিও সময়ের পটপরিবর্তনে ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের নানা আচরণে এটি মনে হতে বাধ্য যে ভারতের ৭১ পরবর্তী মনোভাব কতটুকু বন্ধুসূলভ আর কতটুকু পাড়ার ধমকানো বড় ভাই সুলভ ।তাদের এই সব কার্যকলাপ বাংলাদেশে বিদ্যমান এন্টিভারত পক্ষকে শক্তিশালী করেছে এবং কপাল পুড়েছে এদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সংখ্যালঘুদের । লিখাটির পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আমি বিস্তারিত বলছি । এও সত্য যে অনেক ভারতীয় আমাদের যুদ্ধে নিজেদের জীবন দিয়েছেন । তাদের প্রতি আমরা বাস্তবিকভাবে কতটুকু সম্মান প্রদর্শন করতে পেরেছি তা একজন ভারতীয়ই ভাল বলতে পারবে । এ বিষয়ে আমি মন্তব্য প্রদানে বিরত থাকছি কারণ আমার দেশ তো রাজাকারদেরও মন্ত্রী সভায় স্থান দিতে লজ্জাবোধ করেনি । নিজ দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের গালে এ যে সপাটে জুতো দিয়ে আঘাত করার মত সমান পীড়াদায়ক। তাছাড়াও লেখক শেখ মুজিবকে র এর পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর পূর্বে দেয়া অগ্রিম সতর্কবার্তার কথা লিখেছেন । এ বিষয়টির উল্লেখ প্রয়োজন আছে । কারণ এ বিষয়টি নিয়ে একটি মহল কর্তৃক আমাদের দেশে অনেক অর্ধসত্য, অতিরঞ্জিত তথ্য এবং ডাহা মিথ্যা প্রচার করেছে যা এই লিখাটি পড়লেই বোঝা যায়। বঙ্গবন্ধু যদি সে সময় র এর দেয়া সতর্কবার্তাকে হেলায় উড়িয়ে না দিতেন তবে হয়ত বাংলাদেশ আজও ৭২ এর সংবিধানে প্রস্তুত করা বাংলাদেশই থাকত । অনেকেই বলবেন তার রাজনৈতিক জীবনে অনেক ভুল ছিল, হ্যা এ কথা সত্য কিন্তু তাই বলে দেশের প্রতি তার অবদানটুকু তো অস্বীকার করা যায়না ।

ইন্দিরা গান্ধী , নামটির মাঝেই যেন কেমন একটি আলাদা মায়া লুকিয়ে আছে। আমি তাকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে সবসময় বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই । কারণ তার মত বন্ধু খুব কম দেশের ভাগ্যেই জুটে । আর তাই তার মৃত্যু বরাবরই আমার কাছে খুব পীড়াদায়ক । আমি এটুকু দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারছিনা যে আমি ইন্দিরা গান্ধী সম্পর্কে খুব বেশী কিছু জানি । তবে যতটুকু জেনেছি তা থেকে আমি এটুকু বেশ ভালভাবেই বলতে পারি যে তার জীবনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভুল ছিল “ অপারেশন ব্লুস্টার” । আরেকটু নির্দিষ্টভাবে বললে অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দিরে অভিযান চালানোর প্রক্রিয়া । আমি ও লেখকের সাথে এ বিষয়ে একমত যে তার এই ভুলের মাশুল তাকে নিজের মৃত্যু দিয়ে শোধ করতে হয়।আমার ব্যাক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে যদি বলি তবে খালিস্তানি স্বর্ণ মন্দিরে রাজীব গান্ধী যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করে “অপারেশন ব্ল্যাক থান্ডার” পরিচালনা করেছিলেন তেমন কিছু ইন্দিরা গান্ধী তার সময়ে করলে হয়ত তাকে এভাবে প্রাণ দিতে হতনা ।

বি রমন বাংলাদেশের হিন্দুদের প্রতি তাদের বিশেষ বিবেচনার বিষয়টি বলেছেন । আমি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে তার দেয়া বক্তব্যের প্রতি দ্বিমত পোষণ করছি । বাংলাদেশে যে কিছু সংখ্যালঘু হিন্দু আছে , ভারতের নানা অযৌক্তিক কার্যকলাপের ( বাবরি মসজিদ হামলা, গুজরাট দাঙ্গা ইত্যাদি) ফলে তাদের পিঠের চামড়া যে থাকবেনা এসব বিষয় কোনদিনই তাদের রাজনীতিবীদদের বিবেচনায় ছিলনা । প্রতি বছর বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দুদের একাংশ ভারতে স্থায়ীভাবে চলে যান কেবল নিরাপত্তার আশায় । এসব বিষয় ভারতের গোচরীভূত হওয়া সত্বেও তারা এসব নিয়ে কোন উল্লেখযোগ্য প্রতিবাদ করেনি । প্রতিবাদ করবে এমন আশা করাও দিবাস্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই নয় । তবে এটুকু জেনে ভাল লাগল যে ভারত সরকার সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশী সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন । আমার ভাল লাগল কারণ আমি চাইনা প্রতি নির্বাচনের আগে আমার কোন সংখ্যালঘু মা বোন ধর্ষিত হোক , অথবা ধর্ষণের সময় আমার কোন মাতৃসমবয়সী সংখ্যালঘু মহিলা গগনবিদারী কণ্ঠে বলুক : “বাবা আমার মেয়েটা ছোট , তোমরা একজন একজন করে আসো ”। এই গ্রুপে ওপার বাংলা এবং এপার বাংলার অনেকেই আছেন । আমার লিখাটি পড়ে হয়ত এ বাংলার অনেকেই এর বিরোধীতা করবেন । ভারতের সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের কথা বলবেন অথবা ওপার বাংলার দাদা দিদিরাও নানা যুক্তি, তর্ক, উদাহরণ দিয়ে একই কাজ করবেন তাদের সবার উদ্দেশ্যেই বলছি সংখ্যালঘু নির্যাতনে সমালোচনায় আমি কথনোই ভারত ও পাকিস্তানকে বিবেচনায় আনার পক্ষপাতী না । কারণ এ দুটি দেশ ভাগ হয়েছিল ধর্মের ভিত্তিতে অতএব এই দুদেশে ধর্মীয় সংঘাত ঘটা অস্বাভাবিক কিছু নয় ।কিন্তু আমার দেশ তো অধিকার আদায়ের জন্য পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়েছিল ধর্মের ভিত্তিতে নয় তবে আজ আমার দেশের হাল কেন এমন হল ? কেন এদেশের সংখ্যাগুরুরা (সবাই নয়) হিন্দুদের ভারতের চর বলে ? ভারতের দালাল বলে ? কোন হিন্দু ভারতে গেছে শুনে টিটকারি দিয়ে বলে : একেবারে গেল নাকি ? বা কিরে ওখানে কত টাকা রেখে এলি ? ঘরভাড়া নিতে গেলে শুনতে হয় : হিন্দু ভাড়া দেয়া হয়না । আর যদিও ভাড়া দেয় তবে খেয়াল রাখতে হয় আশেপাশের মানুষদের প্রতি, তারা কতদিন ভাড়াটিয়া হিসেবে টিকে থাকতে দিবে । আর ঘরে যদি অল্পবয়সী মেয়ে থাকে তবে মাবাবার চিন্তার বিষয়টি আর নাইবা বললাম । হ্যা এটুকু সত্য সবাই এমন নয় , কিন্তু এসব এমন নয় মানুষের সংখ্যা দিন দিন কমছে , বাড়ছেনা । বাংলাদশের অনলাইন জগত যতটা অসাম্প্রদায়িক, যতটুকু উদার , তার অফলাইন জগত ঠিক ততটুকুই বিপরীত। উদাহরণ হিসেবে তো সাম্প্রতিক কালের ঘটনাগুলো তো আছেই । সামনে মা দুর্গা আসছেন, আর কদিন পরই পত্রিকায় নানা জায়গায় প্রতিমা ভাঙ্গার খবর আসবে আর আমরা তা দেখেও না দেখার ভান করব যেন কিছুই হয়নি এসব একদম স্বাভাবিক বিষয় । হয়ত নানা জায়গায় এত দিনে প্রতিমা বানানো এবং রাত জেগে সেসব পাহাড়া দেয়ার কাজও শুরু হয়ে গেছে ।

এবার আসি ভারতীয় র তে মুসলমান অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে । র তো অনেক পরের বিষয় ভারত স্বাধীন হওয়ার সময়ও নানা রাজনৈতিক গুরুরত্বপূর্ণ পদে মুসলিমদের রাখা হতনা কেবল ধর্মীয় বিভেদের কারণে । মৌলানা আবুল কালাম আজাদ রচিত “ ভারত স্বাধীন হল ” (India Wins Freedom) (৩০ বছর পরে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ) বইটিতে “সরকারে কংগ্রেস” নামক অধ্যায়ে তিনি এ বিষয়ের অবতারণা উদাহরণসমেত করেছেন । সততার সাথে বললে ভারতের সংবিধানে থাকা “ধর্মরিপেক্ষতা” শব্দটি নানা রাজনৈতিক কূটচালে পরে অনেকটা “কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই” টাইপের হয়ে গেছে । বি রমনের বইতে এর দুটি উদাহরণ আছে (র তে মুসলমান অর্ন্তভুক্তি থেকে বিরত থাকা, ইন্দিরা গান্ধী মৃত্যু পরবর্তী শিখ বিরোধী দাঙ্গা) । এ ক্ষেত্রেও ইন্দিরা গান্ধী একটি সময় উপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন , র তে মুসলমান অন্তর্ভুক্তির সুযোগ দিয়ে । যদিও তার মৃত্যু পরবর্তী শিখ বিরোধী দাঙ্গা তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা প্রাপ্তির যোগ্য দাবিদার ।

বি রমন তার বইতে আলকায়েদার সৃষ্টি ও প্রভাব বিস্তারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ ভূমিকার কথা বলেছেন । তার সাথে আমিও এ বিষয়ে একমত । যদি তারা সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে এমন চালটি না চালত তবে হয়ত আজ সারা পৃথিবীকে ইসলামি জঙ্গিবাদ নামক ভয়াবহতার সাথে পরিচিত হতে হতনা । স্বয়ং যুক্তরাষ্ট্রকেও ৯/১১ দিয়ে এর চরমমূল্য দিতে হতনা । সারা বিশ্বময় ইসলাম ধর্মেরও এমন দফারফা হাল হতোনা ।

রাজীব গান্ধীর মৃত্যু ভারতের একটি দ্বিতীয় ট্রাজেডি । ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পরও যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এমনকি রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদেরও যে টনক তেমনটা নড়েনি (কবে নড়বে তা স্বয়ং বিধাতা ই বলতে পারবেন, কারণ অনেকটা নাকের ডগার উপর দিয়েই তো মুম্বাই হামলা হয়ে গেল) তার প্রমাণ পাওয়া যায় রাজীব গান্ধীর মৃত্যুতে । এতে কোন সংশয় নেই যে এসব কিছুর সাথে এলটিএফ তথা ভেল্লুপায় প্রভাকরণ সহ অন্যান্যরা জড়িত ছিলেন । কিন্তু শিকারীদের হাতে যেন অনেকটা ইচ্ছে করেই শিকারকে তুলে দিয়েছিলেন সেসময়ের রাজনৈতিক নেতা, পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তাদরে নানা অবিবেচনা প্রসূত কর্মকান্ড এবং গোয়েন্দা ব্যার্থতার দ্বারা ।

বস্তুত বি রমন তার বইতে র কে একটি যথাযথ আলোচনা সমালোচনা করেছেন এবং বহু জায়গায় তিনি যথেষ্ঠ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন বিশেষত ধর্মীয় ইস্যুগুলোর মত স্পর্শকাতর ইস্যুগুলিতে । কারণ পারিপার্শ্বিক নানা বিষয়ের ডমাডোলে তিনি অতি সহজেই এসব বিষয় এড়িয়ে যেতে পারতেন । কিন্তু তিনি তা করেননি আর এখানেই তার সাহসিকতার পরিচয় নিহিত, একজন সমালোচকের কখনোই উচিত নয় চরম সত্যকে এড়িয়ে যাওয়া। যেমন হয়ত আমার লিখা পড়ে অনেকের ভাল নাও লাগতে পারে , অনেকেই দ্বিমত করতে পারে । তাই বলে কি সত্য কখনো বদলে যাবে ? কখনোই বদলাবেনা । তবুও বি রমনের বইতে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনার ফলে আমিও তার বইয়ের আলোকে প্রকৃত সত্যকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি । কতটুকু পেরেছি তার নির্ধারক আপনারা । সবশেষে এটুকু আমি নি:সন্দেহে বলতে পারি যে, বি রমনের লিখা “র এর কাওবয়েরা” বইটি সত্যিই অসাধারণ, সাথে এটুকুও বলে রাখি আমার ব্যাক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে র কিছু ক্ষেত্রে খুবই দক্ষ কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এতটাই অদক্ষ যে সেসব অদক্ষতার ফলাফল তাদের দক্ষতাকেও হার মানিয়ে দেয় । ভারতের চারপাশে যে পরিমাণ বৈরী পরিস্থিতি সবসময় বিদ্যমান এতে র নামক গোয়েন্দা সংস্থা না থাকলে ভারত নামক রাষ্ট্রকে বিশ্ব মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা তার শত্রুদের পক্ষে অনেকটা ভাতের প্লেট হাতে নিয়ে ভাত খাওয়ার মতই সহজ ।

লেখক পরিচিতিঃ
লিখেছেনঃ Joyraj Hore

এমন আরও বইয়ের নিয়মিত রিভিউ পেতে EduQuarks এর সাথেই থাকুন। প্রতি সপ্তাহের শনি এবং মঙ্গলবারে আমাদের বুক রিভিউ সিরিজের লিখা পাবলিশ হয়ে থাকে। আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে যোগ দিন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে ও লাইক দিয়ে রাখুন ফেসবুক পেইজে। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

No comments: